
লাল দর্পণ ।। পাকা রাস্তার সঙ্গে সংযোগ সড়কটি বিগত বন্যায় পানির তোড়ে ভেঙ্গে গেছে। রাস্তাটি এখনও হয়নি সংস্কার হয়নি। অবকাঠামোগত সংস্কার শুরু না হওয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তাটির দু’পাশের মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগের মাঝে একমাত্র ভরসা হয়ে দাড়িয়েছে একটি বাঁশের সাঁকো। এমনটাই দৃশ্য দেখা গেছে লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ওয়াপদা বাজার এলাকায়।
অবকাঠামোগত সংস্কও কাজ না হওয়ায় এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে ৩শতাধিক পরিবারের চলাচলের জন্য একটি বাঁশের সাঁকো বানিয়েছেন। স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ এলাকার হাজারো মানুষের চলাচলের জন্য এ সাঁকোটিই একমাত্র ভরসা হয়ে দাড়িয়েছে। তাছাড়া রাস্তাটি শহর রক্ষা বাঁধের অংশ হওয়ায় লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার দুই হাজার পরিবারের ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানী লোকজন জানান, গত বছর বন্যার পানিতে পাকা রাস্তাটি ভেঙে যায়। এতে ধরলার পানি ঢুকে আমাদের অনেকের ঘরবাড়ি ভেসে গেছে। এরপর নিজেরা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁশ সংগ্রহ করে একটি সাঁকো তৈরি করেছি। এটি এখন ৩০০-৩৫০ পরিবারের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম।
এ ব্যাপারে কুলাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী জানান, ওয়াপদা বাজারের উত্তরে পাকার মাথা ভেঙে যাওয়া রাস্তাটি সংস্কারের জন্য এখনও বরাদ্দ না পাওয়ায় তা সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে তৈরি বাঁশের সাঁকোটিতে আমিও সহযোগিতা করেছি। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন এবং আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সংস্কারের কাজ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।