
এবিএস রনি, যশোর প্রতিনিধি।। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের শার্শা উপজেলার ৮নং বাগআঁচড়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পেতে তোড়জোড় শুরু করেছেন আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এদিকে সাধারণ জনগণের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা প্রশ্ন। অন্যদিকে এ নির্বাচন নিয়ে বিএনপি নেতাদের মধ্যে তেমন কোনো তোড়জোড় দেখা যাচ্ছে না।
নির্বাচন কমিশন থেকে দেয়া তথ্যানুসারে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদ, উপ-নির্বাচনসহ অন্যান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে জানা যায়। দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি ও তোড়জোড়ে আরও প্রাণ সঞ্চার হয়েছে। এদিকে নৌকা প্রতীক পেতে এরই মধ্যে মাঠে নেমেছেন নেতাকর্মীরা। প্রচার বাড়াতে এলাকায় জনসংযোগ করছেন। ক্ষমতাশালী দলের নেতাদের মধ্যে রীতিমতো দলীয় মনোনয়ন নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। মনোনয়ন বাগাতে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের কাছে তদবিরও শুরু করেছেন আগ্রহী প্রার্থীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা উর্ধ্বতন নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষনের মাধ্যমে নিজ নিজ পক্ষে শক্তিশালী সমর্থক বলয় তৈরি করে দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে ব্যস্ত রয়েছেন। এছাড়া সম্ভাব্য প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে না পারলেও নানা অনুষ্ঠানে, খেলাধূলা, সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ডে অনুদান দিয়ে জনগণের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করছেন।
নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচারণায় সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে এরই মধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে নিজেদের জানান দিচ্ছেন অনেক নেতা। তবে এ নির্বাচন নিয়ে বিএনপি নেতাদের মধ্যে কোনো তোড়জোড় দেখা যাচ্ছে না।
দলের প্রতি নিবেদিত ও ত্যাগী নেতারাই এবার মূল্যায়ন পাবেন বলে জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা। নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন, বিগত নির্বাচনে নৌকা মার্কায় দুই বারের বিজয়ী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াছ কবির বকুল, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল খালেক, সাবেক ছাত্রনেতা শফিক মাহমুদ ধাবক, সাধারণ ভোটাদের আলোচনায় এসেছে তরুণ প্রার্থী সাবেক বাগআঁচড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রয়াত খোরশেদ আলমের পুত্র সাবেক ছাত্রনেতা সুমন। এছাড়াও আরো কয়েকজনের নাম শোনা গেলেও প্রচারে ও জনপ্রিয়তায় পিছিয়ে রয়েছেন তারা।
এবারের স্থানীয় ইউপি নির্বাচনে আঞ্চলিক ও রাজনৈতিক দলগুলো নিরপেক্ষ ভূমিকা বজায় রাখলে তৃণমূল পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদে সঠিক ও স্বচ্ছ জনপ্রতিনিধি ঠাঁই পেতে পারেন বলে মনে করেন সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।