
লাল দর্পণ।। করোনার বিস্তার রোধে সারা দেশে ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ১১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত লক ডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। সরকারী এ সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করতে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন পরিচালনা করছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। লকডাউনের প্রথম দিনেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী ম্যাজিষ্ট্রেট আল আমীন।
জানা যায়, করোনা বিস্তার রোধে সারা দেশের ন্যায় লালমনিরহাটেও কার্যকরভাবে চলছে লকডাউন। রাস্তাঘাট, অফিস-আদালতে জনগণের উপস্থিতি একেবারেই কম। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া মানুষের সংখ্যাও নগণ্য। সরকারের লকডাউন সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করতে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন পরিচালনা করছে ভ্রাম্যমাণ আদালত, পাশাপাশি সাংবাদিকরাও তাদের দায়িত্ব পালন করছেন সার্বিক চিত্র তুলে ধরতে।
লকডাউনের প্রথম দিন ৫ এপ্রিল দুপুরে লালমনিরহাট জেলা শহরের মিশন মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন ম্যাজিষ্ট্রেট আল আমীন। newsbangla24.com এর লালমনিরহাট প্রতিনিধি মোঃ শাহজাহান সাজু তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য মিশন মোড়ে অবস্থান করছিলেন। তার ব্যবহৃত মাটরসাইকেলটি একটি ফলের দোকানের পাশে দাঁড় করানো ছিল। মোটরসাইকেলে হেলমেট না থাকায় ম্যাজিষ্ট্রেট আল আমীন উক্ত সাংবাদিকের জড়িমানা করেন। মোঃ শাহজাহান সাজু এ সময় নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী ম্যাজিষ্ট্রেট আল আমীন তাকে পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, ‘‘সাংবাদিক কোন পরিচয়?’’।
মিশন মোড় এলাকায় অবস্থানরত অন্যান্য সাংবাদিকরা এসময় ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পান যে, একটি মোটরসাইকেলে হেলমেট ছাড়া তিনজন আরোহীকে তাদের পরিচয় জেনে ছেড়ে দেয়া হলো, অথচ পেশাগত দায়িত্বপালনরত সাংবাদিকের দাঁড় করে রাখা মোটরসাইকেলে হেলমেট না থাকায় জড়িমানা করা হলো। সাংবাদিকরা ম্যাজিষ্ট্রেট আল আমীন এর কাছে আইনের এমন প্রয়োগের কারণ জানতে চাইলে তিনি এ ব্যাপারে পরে কথা বলবেন উল্লেখ করে জড়িমানার টাকা আদায় না করেই সেখান থেকে চলে যান।
বিষয়টি লালমনিরহাটে কর্তব্যরত সাংবাদিকদের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।