
লাল দর্পণ।। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ২০২৪ খ্রিস্টাব্দের ৫ আগস্ট তারিখে ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর পর এবং পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের ৫ মাস ২৩ দিন পর শহীদ সুজনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মহামান্য আদালতের আদেশে ২৯ জানুয়ারি বুধবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. শাফায়াত আখতার নূর এবং হাতীবান্ধা অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুন্নবী এর উপস্থিতিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ সুজন মিয়া (গার্মেন্টস শ্রমিক) এর মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের শাড়ডুবি গ্রামের পারিবারিক কবরস্থান থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, শহীদ সুজন মিয়া (গার্মেন্টস শ্রমিক) গত ৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় যোগদান করেন এবং পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করেন বলে জানা যায়। পরবর্তীতে গত ৬ আগস্ট তার মরদেহ ঢাকা হতে নিজ বাড়িতে নিয়ে এসে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। গত ২১ আগস্ট শহীদ সুজন মিয়ার বাবা মো: শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকা আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে তদন্তের জন্য মহামান্য আদালতের আদেশে গত ৫ মাস ২৩ দিন পর শহীদ সুজনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।